Google Ads

করোনা আটকাতে T3 ফর্মুলা কেন্দ্রর


করোনা আটকাতে T3 ফর্মুলা কেন্দ্রর


কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: দেশে করোনা পরিস্থিতি করুন থেকে করুনতর হয়ে উঠেছে। শুরু থেকে যেভাবে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েই চলেছে। এখনও পযন্ত দেশের মধ্যে কিছু কিছু রাজ্যে করোনা সংক্রমণ আটকানো বেহাল হয়ে উঠেছে। তবু আগের কিছু সপ্তাহ, ৮ সপ্তাহ দেশে লকডাউন থাকায় অনেকটা কমেছে সংক্রমণ। হয়তো লকডাউন এর ফলে পুরোপুরি সংক্রমণ এর উপর জয়লাভ করা যায়নি কিন্তূ অনেকক্ষেত্রে ভেবে দেখতে লকডাউন এর ফলে শীর্ষে সংক্রমণ হওয়া পিছিয়েছে প্রায় ৭০ দিনের মতো। এই লকডাউন না করা হলে, আরো অনেক বাড়তো সংক্রমণ। পরিস্থিতি হয়তো আরও হাতের বাইরেই থেকে যেত। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ লকডাউন এর ফলে ৬৯-৯৭% করোনা আক্রমণ এর সংখ্যা কমানো সম্ভবত হয়েছে। এমনটাই জানা গেছে বর্তমান কিছু গবেষণা ও সমীক্ষা দিয়েছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (ICMR) এর মত অনুযায়ী নভেম্বর মাসেই সংক্রমণ এর হার শীর্ষে থাকবে ভারতবর্ষে।
আন-লকডাউন এর পর থেকে প্রতিদিন দেশে প্রায় গড়ে ৯০০০ জন করে একটিভ হচ্ছিলো। পূর্ববর্তী ২৪ ঘন্টায় এই আক্রান্ত এর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার। এইভাবে চলতে থাকলে দেশের আক্রান্ত এর সংখ্যা খুব শীঘ্রই ৫ লাখ পৌঁছবে বলে ধারনা বিশেষজ্ঞদের। আজকের দিন পযন্ত হিসেব করা হলে দেশে মৃত ও সুস্থতার সংখ্যা প্রায় সমান সমান আছে। এখন একমাত্র কড়া নিয়ম এবং সংযম এর মাধ্যমেই একমাত্র মোকাবিলা করা যেতে পারে।
দেশের  সমস্ত রাজ্য গুলির মধ্যেই করোনা আক্রান্ত এবং সংক্রমণ নিয়ে সর্বোচ্চ ক্ষতি এর খাতায় উপরে রয়েছে মহারাষ্ট্র। বর্তমান আক্রান্ত এর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখের ওপর। মহারাষ্ট্র এর পর পর রয়েছে তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট। বিশেষজ্ঞদের মতে দিল্লিতে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে চলেছে। যা পরে সামলানো কঠিন হতে পারে। রবিবার বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন দিল্লিতে রোগীদের জন্য বেডের সমস্যা মেটানোর জন্য ৫০০ টি রেলের কোচ দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি আরো জানান কেন্দ্র থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নানাভাবে সাহায্য পাবে দিল্লি। সোমবার রাজধানীর করোনা পরিস্থিতি আলোচনা করার জন্য এক বৈঠকে বিভিন্ন দলকে ডেকেছিলেন শাহ।
সবদিক লক্ষ্য রেখে কেন্দ্র T-3 ফর্মুলা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে বলে ভেবে রেখেছে। এখানে প্রথম T এর অর্থ হলো টেস্টিং, দ্বিতীয় T এর অর্থ হলো ট্র্যাকিং এবং তৃতীয় T এর অর্থ হলো ট্রিটমেন্ট। সমস্ত রাজ্যে এই তিনটি পর্যায়কে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতি যথেষ্ট জোর দিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে যে রাজ্যগুলিতে সংক্রমণ এর হার অধিক সেই সমস্ত রাজ্য যেমন দিল্লি, মুম্বাই ইত্যাদি রাজ্যে এই নিয়ম শীঘ্রই জারি করা হয়েছে। সংক্রমণ এর বিরোধ করে জোরদার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র।
কেন্দ্র শাস্ত্র মন্ত্রক অনুযায়ী দেশের ৬৩% করোনা আক্রান্ত হয়েছে মূলত ১৫ টি বড়ো শহর এর উপর ভিত্তি করে। দেশের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আলোচনা এর জন্য ইতিমধ্যেই দুটি বৈঠক করতে উদ্যোতো হয়েছেন। এই দুটি বৈঠকের শেষে দিন অর্থাৎ ১৭জুন মূলত যে বৈঠক হবে তাতে ওই বিশেষ ১৫টি রাজ্য, যেখানে আক্রান্ত এর সংখ্যা বেশি সেই জায়গা গুলো নিয়ে কথা বলবেন তিনি। এবং মঙ্গলবার মূলত কম সংক্রমিত হওয়ায় রাজ্যগুলোর সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।


Post a Comment

0 Comments