Google Ads

মাস্ক নিয়ে নতুন ঘোষণা WHO এর

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: Covid-19 সমগ্রবিশ্ব ছড়িয়ে পড়েছে। সারাবিশ্বে এর রমরমা, আমাদের ভারতবর্ষও এর ব্যাতিক্রম নই। তবে আমাদের সচেতনতা এর জোরে আমরা এখনও ততটা সংক্রমিত হয়নি। টানা এতগুলোদিন লোকডাউন এ থাকার পর এবার সংক্রমণ এর সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিকই কিন্তূ সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আমাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথাতো অনেক বারই বলা হয়েছে এবং তা সকলে মিলে মেনে চলার চেষ্টাও হচ্ছে। করোনা থেকে বাঁচার উপায় হলো নাক এবং মুখ ঢেকে অন্যদের থেকে বাহিত জীবাণুর থেকে নিজেকে রক্ষা করা। তাই বর্তমান সময়ে সংক্রমিত না হওয়ার জন্য যা অত্যন্ত প্রয়োজন তা হলো মাস্ক এর ব্যবহার বাড়ানো। 

কিন্তূ একদম শুরুর কিছুদিন পযন্ত  মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক ছিলনা। কিন্তূ শুক্রবার দেওয়া কিছু আপডেট গাইডেন্স এ WHO তার দেওয়া আগের নির্দেশিকা এর বদল ঘটিয়ে জানিয়ে দিল বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক জানিয়ে দিলো টেড্রস আধানোম।

যেসমস্ত জায়গায় সংক্রমণ এর হার অনেক বেশি, হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা এর আসে পাশে, বাজার-হাটে, জনবহুল এলাকাতে কিংবা এমন কোনো জায়গা যেখানে সামাজিক দুরুত্ব মেনে চলা সম্ভব নই সে সমস্ত জায়গাতে  সকলকে মাস্ক ব্যবহার এর নির্দেশ দিলো WHO। হাসপাতাল এর ক্ষেত্রে শুধু যে হাসপাতালের কর্মচারী তা নই হাসপাতালে উপস্থিত সমস্ত ডাক্তার, কর্মচারী এমনকি হাসপাতালে উপস্থিত সমস্ত জনসাধারণকেউ ব্যবহার করতে হবে মাস্ক।

বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন এই মাস্ক যে কিনেই পরতে হবে তারপর কোনো মানে নেই। আপনি বাড়িতে বসেও বানিয়ে নিতে পারেন আপনার মাস্ক।ফেব্রিক মাস্ক বা কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে যেটি আপনি কিনতে বা ব্যবহার করতে চলেছেন তা জানো মূলত তিনটি লেয়ার এ বিশিষ্ট হয়। তাহলে তিনটি লেয়ার ভেদ করে জীবাণু প্রবেশ করতে পারবেনা।

বর্তমান সময়ে সংক্রমণ এর হার এড়াতে সর্বপ্রকার চেষ্টা করে চলছে WHO। সমস্ত রকমের সতর্কতা এবং বিশ্বের অন্যান দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে হু। ভাইরাস এর মোকাবিলা এর কাজে আরো বেশকিছু সময় লাগতে পারে এমনটাই তাঁদের ধারণা ততক্ষন কেবলমাত্র নিজেকে সংক্রমিত হওয়ার থেকে বাঁচানোই একমাত্র উপায়। তাই যতটা পারবেন নিজের প্রতি সচেতন হন এবং সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

Post a Comment

0 Comments