Google Ads

সরকারি স্কলারশিপ এর তালিকা-- উচ্চমাধ্যমিকের পর কি কি সরকারি স্কলারশিপ রয়েছে, কিভাবে আবেদন করবেন।

সরকারি স্কলারশিপ এর তালিকা-- উচ্চমাধ্যমিকের পর কি কি সরকারি স্কলারশিপ রয়েছে,  কিভাবে আবেদন করবেন।
কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: যে সমস্ত ছাত্র ছাত্রীর পরিবার এর আর্থিক অবস্থা সেইভাবে সবল নয়। তাদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অনেকটাই কষ্টকর হয়ে পড়ে। এর জন্য সরকারী এবং বেসরকারী উভয়ভাবে অনেক ধরনের স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে।  এই ধরনের সুবিধা গুলি পেয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনার দিক থেকে এগিয়ে যেতে পারে।  পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার দ্বারা অনেক ধরনের সরকারি স্কলারশিপ পাওয়া যায়।

মূলত কি কি সরকারি স্কলারশিপ রয়েছে, আবেদন করার জন্য কি কি বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং কিভাবে আবেদন করা যেতে পারে। সেই সম্পর্কিত কিছু বিশেষ তথ্য নিচে দেওয়া হল,

#1) নবান্ন স্কলারশিপ: পশ্চিমবঙ্গের সিএম রিলিফ ফান্ড থেকে এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে। এই স্কলারশিপে অফলাইনে আবেদন করতে হয় অর্থাৎ ফর্ম ফিলাপ করে নবান্নে গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হয়।  স্কলারশিপের আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে উচ্চমাধ্যমিকে কমপক্ষে 60% বা তার বেশি নম্বর পেতে হবে এবং আবেদনকারীর পারিবারিক বার্ষিক আয় 60,000 টাকার কম হতে হবে। এই স্কলারশিপ সাধারণত জুলাই সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে আবেদন গ্রহণ করা হয়। এস্কলার্শিপ অনুযায়ী আবেদনকারী ছাত্রছাত্রীরা এককালীন 10,000 টাকা পেয়ে থাকেন।

#2) বিজ্ঞানী করনা মেধাবৃত্তি স্কলারশিপ: জগদিশ বোস ন্যাশনাল সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্চ কর্তৃপক্ষ দ্বারা স্কলারশীপ প্রদান করা হয়। যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ মাধ্যমিকে সায়েন্স বিভাগ থেকে পাশ করেছে এবং উচ্চমাধ্যমিকের পর মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং কিম্বা গ্র্যাজুয়েট করবে তাদের জন্য এই স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। এই স্কলারশিপের জন্য অফলাইন ভাবে আবেদন করতে হয়। আবেদনের জন্য এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে ফিলাপ করে জমা দিতে হয়।  এই স্কলারশিপের আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর পারিবারিক বাৎসরিক আয় 60 হাজার টাকার কম হতে হবে। আবেদনকারী ছাত্রছাত্রীরা স্কলারশিপ অনুযায়ী মাসিক 3000 টাকা এবং বই কেনার জন্য এককালীন দুই হাজার টাকা পেয়ে থাকে।

#3) স্বামী বিবেকানন্দ বা বিকাশ ভবন স্কলারশিপ: পশ্চিমবঙ্গ সরকার দ্বারা এই স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। স্কলারশিপ কিভাবে ধনের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় 75 শতাংশ নম্বর পেতে হবে। এই স্কলারশিপ অনলাইনেও আবেদন করা যায়। স্কলার্শিপ 2018 করতে হলে আবেদনকারীর পারিবারিক বাৎসরিক আয় 2,50,000 টাকার কম হতে হবে। এই স্কলারশিপের আবেদন সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চলে। আবেদনকারী ছাত্র-ছাত্রীরা এই স্কলারশিপ অনুযায়ী প্রতি মাসে হাজার টাকা করে অর্থাৎ বার্ষিক 12,000 টাকা পেয়ে থাকে।

#4) ওয়েস্ট বেঙ্গল পোস্ট ম্যাট্রিক স্কলারশিপ: সাধারণত sc/st/obc ছাত্রছাত্রীরা স্কলারশিপ পেয়ে থাকে। ওয়েস্ট বেঙ্গল সরকারের ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট থেকে এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়ে থাকে। এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে sc/st এর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বাৎসরিক পারিবারিক আয় 2,00,000 টাকার কম এবং obc এর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পারিবারিক বাৎসরিক আয় 1,00,000 টাকার কম হতে হবে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এর আবেদন গ্রহণ করা হয়। সাধারণত যে কোন sc/st/obc ছাত্র-ছাত্রী এই স্কলারশিপ পেয়ে থাকে।

Post a Comment

0 Comments