Google Ads

ইরফান খান প্রয়াত - তাঁর সম্পূর্ণ জীবনী ও ইতিবৃত্তান্ত

ইরফান খান প্রয়াত - তাঁর সম্পূর্ণ জীবনী ও ইতিবৃত্তান্ত


মুম্বাই, ২৯.০৪.২০২০ঃ ইরফান আলী খান, আজ আমাদের মধ্যে আর নেই। আজই তার প্রয়ান হয়েছে। যার জন্য গোটা দেশ শোকাহত। আজ ছোট করে ইরফান খান সম্পর্কে আমরা জানবো। ইরফান খান - জন্ম ৭ই জানুয়ারি, 1967, এবং 53 বছর বয়সে 2020 সালের 29 শে এপ্রিল শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। রাজস্থানের এক মুসলিম পরিবারে 1967 সালে তার জন্ম। পিতা ইয়াসিন আলী খান, মাতা সাইদা বেগম খান। National School Of Drama তে যুক্ত হওয়ার আগে তিনি জয়পুর থেকে এমএ পাস করেন। 1995 সালে তিনি সুতপা সিকদার কে বিবাহ করেন। ও তাদের দুই পুত্র সন্তান আছে।
1988 সালের সালাম বোম্বে নামক সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন। এর পর এক এক করে তার সমস্ত সিনেমা ফ্লপ হতে থাকলে, তিনি টিভিতে কাজ শুরু করেন। এবং 2001 সালে প্রথম ইন্টারনেশনাল ফিল্ম The Warrior এ কাজ করেন। ও খ্যাতি অর্জন করেন।
2005 সালে বলিউডে রোগ সিনেমায় লিড রোলে অভিনয় করে সকলের মধ্য সাড়া ফেলে দেয়।
এর আগে 2004 সালে হাসিল সিনেমাতে ভিলেনের অভিনয়ের জন্য Film Fare Best Villain Award পান।এছাড়াও Life in A Metro ও Namesake এর জন্য তিনি ফিল্ম ফেয়ার পান সাপোর্টিং রোলে।
তিনি স্টার ওয়ানে মানো ইয়া না মানো ও ক্যা কহে শো এর এনকারিং করেছিলেন।
তার সিনেমা পান সিং তোমার এর জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার পান বেস্ট একটার হিসাবে ও ফিল্ম ফেয়ার বেস্ট একটার ক্রিটিক্স পান।
তিনি বিভিন্ন হলিউড সিনেমাতে ছিলেন, যেমন - স্ল্যামডগ মিলিয়েনিয়র, লাইফ অফ পাই, আমেজিং স্পাইডার ম্যান, জোরাসিক ওয়ার্ল্ড, নেমসেক, ইনফার্নো ইত্যাদি।
এর মধ্যে স্ল্যামডগ মিলয়েনিয়ার ও লাইফ অফ পাই অস্কার জয় লাভ করে।
2013 সালের দ্য লাঞ্চবক্স ক্যান্স ফিল্ম ফেস্টিভলে গ্র্যান্ড রেইল ডি'ওর পুরস্কার পান।
তিনি পিকু সিনেমাতে প্রধান চরিত্রে অমিতাভ বচ্চন ও দীপিকা পাডুকোনের সাথে কাজ করেন।
এছাড়াও হিন্দি মিডিয়াম সিনেমার জন্য তিনি ফিল্ম ফেয়ার বেস্ট একটার আওয়ার্ড পান।
তার শেষ সিনেমা ছিল আংরেজি মিডিয়াম।
এছাড়াও তিনি রাজস্থান সরকারের অন্তর্গত রিসার্জেন্ট রাজস্থানের ব্র্যান্ড আম্বাসেডার ছিলেন।
2011 সালের শিল্পী বিভাগে তিনি তার কৃতকর্মের জন্য পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন।

2018 সালের মার্চ মাসে তার নিউরোএন্ডোক্রাইন টিউমার ধরা পড়ে। তিনি লন্ডনে তার চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। কিন্তু 28 সে এপ্রিল তার শরীর অসুস্থ হলে মুম্বাইয়ের কোকিলা বেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি হন। 29শে এপ্রিল কোলন ইনফেকশন বা ক্যান্সারে তিনি তার শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন 53 বছর বয়সে। প্রসঙ্গত তার মাতা সাইদা বেগম খান 4দিন আগেই জয়পুরে মারা গেছে।
আজ হয়তোবা করোনা পরিস্থিতি না জন্মালে তিনি আমাদের ছেড়ে যেতেন না। তার চিকিৎসা চালুই ছিল লন্ডনে। নায়ক তো অনেকেই থাকে কিন্তু অভিনেতা অল্প কিছুই থাকে, আজ এই এক বড় মাপের অভিনেতা আমাদের মধ্যে থেকে চলে গেলেন বহু দূরে। তার আত্মার শান্তি কামনা করি।  আশাকরি ইরফান খান সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আপনাদের দিতে পেরেছি, ভিডিওটিকে প্রচুর পরিমান শেয়ার করুন। ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।1967

Post a Comment

0 Comments