Google Ads

work-from-home এর ফলে কর্মীদের মানসিকতা

work-from-home এর ফলে কর্মীদের মানসিকতা

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ ৪ মাস করোনা জেরে বিশ্বজুড়ে চলছে লোকডাউন। কিন্তু থেমে নেই বেশিরভাগ অফিসের কাজকর্ম। প্রায় সব কোম্পানি থেকেই work-from-home করা হচ্ছে। তবে work-from-home এর শুরুতে কর্মীরা যেভাবে এটা কে ভেবেছিল যে অনেক ভালো হবে। এখন কিন্তু সেই চিন্তা ভাবনা নেই অনেক কর্মীরই। সম্প্রতি এরকমই একটা খবর পাওয়া গেছে বিশ্বজুড়ে work-from-home এর সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দ্বারা করে থাকা এক সমীক্ষা থেকে।

এশিয়ান প্যাসিফিক জোনের পাঁচটি দেশের প্রায় দেড় হাজার সংখ্যক কর্মীদের ওপর এই সমীক্ষাটি করা হয়েছিল। রিয়েল এস্টেট কনসালটেন্সি JLL এই সমীক্ষাটি করেছে। এই সমীক্ষা দ্বারা লকডাউন এর আগে এবং পরে অফিস কর্মীদের মনোভাবের ঠিক কিরূপ পরিবর্তন হয়েছে তার একটা আংশিক তালিকা পাওয়া গেছে।

 লকডাউন শুরুতে বেশিরভাগ কর্মীরা ভেবেছিল আর অফিসে যেতে হবে না। এবার তো ঘরে বসেই কাজ হয়ে যাবে, বেশ ভালোই হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে work-from-home এর ক্ষেত্রে তাদের অনীহা প্রকাশ বেড়েছে অনেকটাই। এ সমীক্ষার তারা প্রায় একটা আলাদা চিত্র উঠে এসেছে সবার সামনে।

সম্প্রতি হয়ে যাওয়া এই সমীক্ষার দ্বারা জানা গেছে বিশ্বের প্রায় 68% লোক work-from-home হিসেবে কাজ করছে। ভারতে এইট পার্সেন্টেজ এর সংখ্যা 82%। সবথেকে বেশি work-from-home হিসেবে কাজ চলছে সিঙ্গাপুর থেকে। যে সমস্ত 68% কর্মচারীরা work-from-home হিসেবে কাজ করছেন,  তাদের 61% লোকেরাই বলছে তারা অফিসের কাজকর্ম মিস করছেন।  ভারতে যে সমস্ত লোকেরা work-from-home হিসেবে কাজ করছেন তাদের 82% লোকরাও একই মত প্রকাশ করেছেন।

বেশিরভাগ কর্মীদের মতেই,  অফিসে বসে কাজ করলে তাদের অফিসের পরিবেশ অনুযায়ী যে কাজ করার মানসিকতা তৈরি হতো, সেটা তারা বাড়ির থেকে হচ্ছেনা।আবার এমন অনেক যন্ত্রপাতি, টুলস আছে যেগুলো তারা কেবলমাত্র অফিসেই পেত সেগুলো তারা বাড়িতে বসে হাতের সামনে পাচ্ছেন না। তারপর কাজ করতে করতে অনেক সময় ক্লান্তি অনুভব হয় এবং কথোপকথনের মাধ্যমে তারা সেটা সমাধান করা হত। বাড়িতে বসে তারা সেই ভাবে সব সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারছে না।

সব মিলিয়ে work-from-home পরিস্থিতি অনুযায়ী এখন তো বন্ধ করা যাবে না বরং সেটার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে 31 শে ডিসেম্বর পর্যন্ত।  বাড়ি থেকে কাজ করা এখনো অনেকটাই বাকি তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

Post a Comment

0 Comments