Google Ads

শুন্য বিনিয়োগে অনলাইন এ আয় করুন-- বিশেষত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য

 


শুন্য বিনিয়োগে অনলাইন এ আয় করুন-- বিশেষত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য 

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা পরিস্থিতি এর জন্য, বিশেষত ভারতে অনেক সংস্থা এর কর্মী ছাটাই এর ফলে অনেকেই তাদের কাজ হারিয়েছে। ভারতেই প্রায় 1 কোটি 90 লক্ষ লোক তাদের চাকরি হারিয়েছে। তাছাড়া বর্তমান পরিস্থিতি বা বর্তমান পরিস্থিতির এর মতো পরিস্থিতিতে ঘরের বাইরে গিয়ে কাজ করা এমনিতেই একটু ঝুঁকি এর বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।


এই সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তথা সুবিধা অনুযায়ী কাজ করে আয়ের জন্য অনলাইন আই যথেষ্ট একটি ভালো পদ্ধতি।  অনলাইন আর্নিং-এর একটি সবথেকে ভালো বিষয় হলো আপনি যেখান থেকে খুশি যখন খুশি কাজ করে আয় করতে পারেন।  এতে খুব একটা বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি থাকে না। আপনি চাকরি করেন বা নাই করেন আপনি স্টুডেন্ট হন বা বেকার বসে থাকেননা কেন যেকোন অবস্থাতেই আপনি অনলাইনে আর্নিং করতে পারেন।  আপনার শুধু দরকার ইন্টারনেট, এন্ড্রয়েড ফোন বা ল্যাপটপ এবং প্রবল ইচ্ছাশক্তি।


এমনিতে ইন্টারনেটের জগতে আপনি হাজার হাজার অপশন পেয়ে যাবেন বর্তমানে আয় করার মত।  তার জন্য প্রয়োজন আপনার একটু মূল্যবান সময় এর এবং খতিয়ে যাচাই করার।  কিন্তু এই পোস্টে আমি এমন পাঁচটা বিষয়ের কথা বলব যেগুলোর মাধ্যমে আপনি এক্ষুনি সহজে চালু করতে পারেন এবং বিনা বিনিয়োগে।


#1) freelancing : ফ্রিল্যান্সিং এমন একটা প্লাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার কয়েকটা স্কিল এর মাধ্যমে যেমন ফটোশপ, টেক্সট রাইটিং, কপি পেস্ট, এডিটিং, থামনেল মেকার,ওয়েব ডিজাইনার, app ডেভলপমেন্ট ইত্যাদি  যেকোনো একটা স্কিল এর মাধ্যমে আপনি সঠিকভাবে কাজ করে আয় করতে পারেন। এটা শুরু করার জন্য আপনার কোন বিনিয়োগ সাধারণত লাগেনা, শুধু দরকার পড়ে কঠোর পরিশ্রমের। তাও আপনার প্রোফাইলটা ট্রেন্ড এ আনার জন্য।  আপনি যদি প্রথম কিছুদিনের মধ্যে আপনার প্রোফাইল ট্রেন্ডে নিয়ে আসতে পারেন তারপরে আপনি যতখুশি কাজ করে একটা আয়ের বন্দোবস্ত করতে পারেন।  এই কাজটি স্টুডেন্ট অথবা যারা স্টুডেন্ট নন তারাও করতে পারে।


#2) YouTube : ইউটিউব এমন একটা প্লাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার ভিডিও শেয়ার করে, তাতে অ্যাড লাগিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন।  অনেকের একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে যে ইউটিউবে শুধুমাত্র অ্যাড এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া যায়। তা কিন্তু নয় ইউটিউবে অ্যাড এর মাধ্যমে, ভিউ এর মাধ্যমে, ক্লিকের মাধ্যমে, মেম্বারশিপ এর মাধ্যমে, বিভিন্ন এন্ড প্রমোটিং এর মাধ্যমে, বিভিন্ন এপস এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। এছাড়াও অনেক পদ্ধতি রয়েছে ইউটিউবে টাকা ইনকামের কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন আপনার ভিউয়ার্স বাড়ানোর। আর ভিউয়ার্স বাড়ানোর জন্য দরকার সলিড কনটেন্টের।


#3)  Android apps: অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস প্রেফার করেও আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন, তবে এই ধরনের আয় আপনার বেশি নাও হতে পারে। কারণ এতে শুধুমাত্র লোক রেফার করলে টাকা পাওয়া যায় না। যাকে রেফার করছেন তাকে ইন্সটল করে ওপেন করতে হয়। এই ধরনের অ্যাপস রেফার করে টাকা ইনকাম এর জন্য আপনি প্লে স্টোরে তে এ ধরনের বিভিন্ন অ্যাপ সার্চ করতে পারেন।


 উপরিউক্ত এই আই গুলি আপনি এই মুহূর্ত থেকে শুরু করতে পারেন যদি আপনার কাছে পরিশ্রম করার একটা ইচ্ছা শক্তি থাকে তবে। এই সমস্ত আয় গুলি করার জন্য আপনাকে প্রাথমিকভাবে কোন বিনিয়োগ করতে হবে না। আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তেমন ভাবে খুশি কাজ করে আপনি আয় করতে পারেন। তবে ফ্রিল্যান্সিং করলে আপনার স্কিল আরো বেটার হবে এবং ইউটিউবে কাজ করলে আপনার কমিউনিকেশন স্কিল বেটার হবে।

Post a Comment

0 Comments