Google Ads

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের পথেই হাঁটতে চলেছে- মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস কাটছাঁট

 

রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের পথেই হাঁটতে চলেছে- মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস কাটছাঁট

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা: করোনা পরিস্থিতিতে দেশের স্কুল-কলেজ সব বন্ধ। ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায় পড়াশোনার কাজ। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও পিছিয়ে নেই সেও চালু করতে চাইছে শিক্ষা ব্যবস্থা। তবে ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্নভাবে অনলাইনে, ফোনের মাধ্যমে কিংবা টিভি ব্যবস্থার মাধ্যমে পড়াশোনা চালু করার একটি সুব্যবস্থা করেছে। প্রায় ছয় মাস স্কুলে পঠন পাঠন বন্ধ রয়েছে অনলাইনের মাধ্যমেই সব কিছু পড়াশোনা চলছে।


স্কুলে ফটো পাঠান চালু না হয় স্বাভাবিকভাবেই সমস্ত সিলেবাস কমপ্লিট করা সম্ভব নয়।  এবং সামনের বছর বিধানসভার ভোট।  সব মিলিয়ে এখন রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকার এর পথে হাঁটতে চাইছে। রাজ্য সরকার ভাবছে মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস অন্তত 40 শতাংশ কাটছাঁট করে বাদ দেওয়ার কথা। ইতিমধ্যে এসব কথা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে রাজ্য সরকার। পরীক্ষার তারিখ একই রেখে কিভাবে সিলেবাস কাটছাঁট করে কমানো যায়, সে বিষয়ে অক্টোবর মাসের মধ্যেই রিপোর্ট পেশ করতে চলেছে সিলেবাস কমিটি। এই রিপোর্ট পেশ হওয়ার পর তা মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতি পেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।


এরই সাথে কলেশ্বর এর শিক্ষাবর্ষ কমিয়ে আনা হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে পরবর্তী বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত চলবে বলে ঘোষণা করেছে ইউজিসি। ফলে পিছিয়ে যেতে পারে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাও। তবে পরীক্ষা পিছিয়ে গেলও কলেজে ভর্তির জন্য খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের। সবদিক মাথায় রেখেই হাঁটতে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে।


ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের 40% সিলেবাস কাটছাঁট করে পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে পুরো বিষয়টাই রয়েছে আলোচনার মধ্যে। রিপোর্ট জারি হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পেশ করা হবে। তিনি সম্মতি দিলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এ বিষয়ে।


এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক সংবাদ মাধ্যমে জানান,  সিলেবাস কমিটি এ বিষয়ে আলোচনা করছে। তারা রিপোর্ট জারি করে আমাদের জানাবে এবং আমরা মুখ্যমন্ত্রী কে জানিয়ে দেব এবং মুখ্যমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন তা পরবর্তীতে আমরা জানিয়ে দেব।মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Post a Comment

0 Comments